Free Adobe Photoshop Tutorial in Bangla: Part 5 | Some Common Mistakes in Photoshop

Free Adobe Photoshop Tutorial in Bangla: Part 5

Some common mistakes in Photoshop a Beginner usually does | Good Practice to Use Photoshop | How to Organize Your Project Perfectly?

আজকে শুরু করতে যাচ্ছি ফটোশপ বেসিক থেকে এ্যাডভান্সড কোর্স এর পার্ট-৫।

এই পর্বে আমরা জানবো:
একজন নতুন ফটোশপ ব্যবহারকারি কি কি ভুলগুলো করে থাকে? মানে নতুনরা সাধারনত যে যে বিষয়গুলো করা দরকার না কিন্তু সে করে, আবার যেগুলো করা দরকার যা সে করে না সেগুলো কি? এবং সুন্দর অর্গানাইজ ভাবে কাজ করতে কি কি বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে? এইসব নিয়ে বিস্তারিত।

ভিডিওটি না টেনে সম্পুর্ণ দেখুন-

একজন নতুন ফটোশপ ব্যবহারকারি দ্বারা কি কি ভুলগুলো সাধারনত হয়?

কাজ শুরুর পর File Save না করা:

দেখা যায় নতনুরা File Create করেই কাজ করা শুরু করে দেয়। ৩০/৪০ মিনিট কাজ করছেন কিন্তু ফাইল টা এখনও Untitled অবস্থায় আছে। মানে হচ্ছে ফাইলটা এখনও Hard Drive এ Save করা হয় নাই। এখন এই অবস্থায় যদি বিদ্যুৎ চলে যায়, আর আপনার যদি Backup Power ব্যবস্থা না থাকে কিংবা কম্পিউটার Hang করলো। তখন কি করবেন? ৩০/৪০ মিনিট কাজ করলেন, এই সময়টাই নষ্ট হলো।

আমার পরামর্শ হচ্ছে: Document ক্রিয়েট করেই একটা শেপ ক্রিয়েট করুন, অথবা একটি blank লেয়ার ক্রিয়েট করুন এবং সাথে সাথে প্রজেক্ট নেইম দিয়ে সেইভ করুন।

“Show transform controls” অপশন ব্যবহার করা:

এই অপশনটা মুভ টুল সিলেক্ট থাকা অবস্থায় অপশনস বারে দেখতে পাবেন। এই অপশনটা অন করা থাকলে কি হয়? আপনি যখন কোনো অবজেক্ট সিলেক্ট করবেন তখন অবজেক্টের চারপাশে রেকটেংগুলার বর্ডার দেখতে পাবেন।

আমার পরামর্শ হচ্ছে- এই Show transform controls অপশনটা অফ রাখা। কোনো অবজেক্ট যদি রিসাইজ করতে হয় Ctrl+T প্রেস করে রিসাইজ করুন।

একি লেয়ারে বিভিন্ন কাজ করা:

নতুনরা এই ভুলটা সাধারনত বেশি করে যখন যে কিছু ড্রয়িং করে। দেখা গেছে একটি লেয়ারে মাল্টি কালার ড্রয়িং করে ফেলে। পরবর্তিতে কালার চেইঞ্জ করতে বা কোনো আপডেট দরকার হলে সমস্যায় পরতে হয়। তাই সময় একাধিক লেয়ার ব্যবহার করুন। যখনই কোনো কিছু এ্যাড করবেন কিংবা ড্রয়িং করবেন আলাদা লেয়ারে করুন।

ভুল করে সম্পুর্ণ Canvas সিলেক্ট করা:

অনেক সময় দেখা যায় দ্রত কাজ করার সময় কিবোর্ড থেকে ভুল Key প্রেস হয়ে যায়। যেমন- কাজ করছেন কোনো কারনে Ctrl+A প্রেস হয়ে সম্পুর্ন ক্যানভাস সিলেক্ট হয়ে আছে। আপনি কোনো কিছু পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন কিন্তু হচ্ছে না। তখন ক্যানভাস এজ চেক করুন, দেখুন ফুল ক্যানভাস সিলেক্ট হয়ে আছে কিনা। যদি থাকে তাহলে ডিসিলেক্ট করতে Ctrl+D প্রেস করুন।

Pop-up Window না বুঝা:

ধরুন আপনি লেয়ার ইফেক্ট নিয়ে কাজ করছেন। এখন কালার অভারলি বা গ্রেডিয়েন্ট অভারলি অপশনের কালার কিংবা গ্রেডিয়েন্ট চেইঞ্জ করার সময় আরেক টা পপআপ ইউনডো ওপেন হবে। এই কালার ইউনডো ওপেন থাকা অবস্থায় আপনি যদি প্রথমে ওপেনকৃত ইফেক্ট উইনডোতে কিছু চেইঞ্জ করতে যান, তাহলে হবে না। প্রথমে কালার পপআপ উইনডো ক্লোজ করতে হবে।

Auto Select অপশন ব্যবহার না করা:

মুভ টুল সিলেক্ট থাকা অবস্থায় অপশনস বারে দেখতে পাবেন। এটা অন করা থাকলে, কোনো অবজেক্টে ক্লিক করলেই সেই অবজেক্ট লেয়ার টা সিলেক্ট হয়ে যাবে। এতে টাইম সেইভ হবে। আর যদি অটো সিলেক্ট অপশনটা অফ রাখেন তাহলে কোনো লেয়ার সিলেক্ট করতে হলে ঐ লেয়ারের অবজেক্টের ওপর Ctrl চেপে ধরে ক্লিক করতে হবে। তাই আমি মনে করি অটো সিলেক্ট অন রাখাই ভালো।

Document Tab থেকে ডকুমেন্ট বিচ্ছিন্ন করে রাখা:

ধরুন আপনি 3/4 টা Documents নিয়ে কাজ করছেন। ডকুমেন্ট 3/4টি যদি ডকুমেন্ট ট্যাবে এইভাবে একত্র করা থাকে তাহলে বুঝতে সুবিধা হয় কোন ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করছেন। আর যদি সাইড বাই সাইড এই ভাবে রেখে কাজ করনে তাহলে প্রবলেম ফেইস করবেন। বঝুতে অসুবিধা হবে আপনি কোন ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ কছেন। তাই বেটার হচ্ছে ডকুমেন্ট গুলো Consolidate করে রাখা। এই জন্য যা করতে হবে- Window menu > Arrange > Consolidate all to tabs ক্লিক করলেই হবে।

Text রিসাইজ করার সময় Ctrl+T ব্যবহার করা:

অনেক সময় আমরা নতুনরা টেক্টট সাইজ ছোট কিংবা বড় দেখলে কি করি? Ctrl+T প্রেস করে টেনে বড়-ছোট করি। এতে কি হয় দেখুন- আমরা যদি Character Panel দেখি, দেখুন ফন্ট সাইজ রাউন্ড ফিগার হচ্ছে না। এই রকম দেখতে অদ্ভুত লাগে। আপনি যদি ওয়েব সাইটের জন্য পিএসডি ডিজাইন করেন, তখন যদি ফন্ট সাইজ ৩০ এর যায়গায় ৩০.২২ এই রকম দেন কি হবে বিষয়টা? ভালো হবে না। তাই যদি চেইঞ্জ করতে হয় Character Panel থেকে করুন।

PNG/JPEG এক্সপোর্ট দেওয়ার সময় Save As ব্যবহার করা:

ফাইল এক্সপোর্ট দেওয়ার জন্য আমরা অনেক সময় কি করি? ফাইল মেনু থেকে Save As ক্লিক করি বা কিবোর্ড থেকে Shift+Ctrl+S প্রেস করি। এতে কি হয় ফাইল সাইজ, কোয়ালিটিম কালার চেইঞ্জ করা যায়না। তেমন কন্ট্রোল করা যায় না। সেইম কাজ টা আপনি যদি এক্সপোর্ট অপশন ব্যবহার করেন, যেমন- ফাইল মেনু থেকে – এক্সপোর্ট – এক্সপোর্ট এজ ক্লিক করি অথবা কিবোর্ড থেকে Alt+Shift+Ctrl+W প্রেস করি তাহলে এক্সপোর্ট এজ উইনডো ওপেন হবে। এখানে ইমেজ সাইজ, কালার স্পেস ইত্যাদি অপশন পাবেন।

বিভিন্ন Symbol দিয়ে ফাইল সেইভ করা:

সেইম্বল বা বিভিন্ন সাইন ফাইল নেইম দিয়ে সেইভ করা গুড প্রাক্টিস না। তাই যখন আপনি আপনার ফটোশপ ফাইল সেইভ করতে যাবেন- ফাইল মেনুতে যান- এবং সেইভ এজ ক্লিক করুন। এখন এই সেইভ এজ উইনডো তে ফাইল টাইপ পিএসডি কনফার্ম করুন। এবং প্রজেক্ট এর নেইম দিন। কোনো সেইম্বল এমনকি কোনো ডট ব্যবহার করবেন না।

যথাযথ Measurement Units ব্যবহার না করা:

অনেক সময় নতুন রা ভুল Measurement Units ব্যবহার করে থাকেন। আপনি যদি ওয়েবের জন্য ডিজাইন করেন, তাহলে সব যায়গায় মেজারমেন্ট ইউনিট হিসেবে পিক্সেল ব্যবহার করুন। ওয়েবের জন্য স্ট্যান্ডার্ড ইউনিটস হচ্ছে পিক্সেল। পয়েন্ট/ইঞ্চি ব্যবহার করবেন প্রিন্টের জন্য ডিজাইন করলে।

Object Move করার সময় যে ভুল হয়:

অনেকেই আমরা এ্যরো কী প্রেস করতে থাকি কোনো অবজেক্ট ডানে-বামে বা ওপরে-নিচে মুভ করার জন্য। আবার অনেক সময় শিফট+এ্যারো কী প্রেস করতে থাকি। এতে টাইম নষ্ট হয়। সিম্পলি যা করবেন- ক্লিক করে ড্রাগ করে এনে ছেড়ে দিবেন যেখানে রাখতে চান।

Layer রিনেইম এবং Group না করা:

টাইম সেইভ করার জন্য অনেকেই এই কাজটি করিনা। আমরা করিকি একের পর এক লেয়ার ক্রিয়েট করে কাজ করতে থাকি, লেয়ার রিনেইম করি না। ধরুন আপনি বড় কোনো প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছেন। কাজের মাঝে একটু ঘুরে আসলেন, ফিরে এসে আপনি আপনার রিনেইম, Group না করা ফাইল বুঝতে প্রবলেম ফেইস করবেন, কোন লেয়ার নিয়ে কোন সেকশনে কাজ করেছেন। তাই ফাইল রিনেইম করা প্রাক্টিস করুন এবং ৪/৫টা লেয়ার হলে সেগুলো Group করে রাখুন।

New Document ক্রিয়েট করার সময় Color Mode চেক না করা:

নতুন ডকুমেন্ট ক্রিয়েট করার সময় কালার মোড চেক করবেন। ওয়েবের জন্য হলে আরজিবি এবং ৮ বিটু আছে কিনা। আর প্রিন্টের জন্য হলে সিএমওয়াইকে।

Layer Thumbnails বড় রাখা:

লেয়ার থাম্বনেইল সব সময় ছোট রাখুন। বড় রাখলে বেশি স্পেস নিবে এবং লেয়ার খুজতে আপনাকে বেশি স্ক্রল করতে হবে।

Font এবং Typeface নিয়ে কনফিউশন:

টাইপফেইস হচ্ছে একটা সম্পুর্ন ফন্ট ফ্যামিলি। যেমন: Myriad Pro একটি টাইপফেইস। এই টাইপফেইসের বিভিন্ন ফন্ট আছে- যেমন: রেগুলার, বোল্ড, আইটালিক ইত্যাদি।

খুব বেশি Zoom in/Zoom out করে কাজ করা:

খুব বেশি জুম ইন অথবা জুম আউট করে কাজ করবেন না। কন্ট্রোল+১ প্রেস করে ১০০% জুম লেবেলে কাজ করবেন। এতে Actual প্রিভিউ সাইজ দেখতে পাবেন।

ফটোশপে Logo Design করা:

ফটোশপে লোগো ডিজাইন করা গেলেও ভেক্টর কিংবা লোগো ডিজাইনের জন্য ফটোশপ পারফেক্ট না। এর জন্য ইলাস্ট্রেটর হচ্ছে বেস্ট। ইলাস্ট্রেটরে লোগো ডিজাইন করলে ইচ্ছামত স্কেল করতে পারবেন।

Distorting ইমেজ:

নতুনরা এই ভুলটা বেশি করে। দেখা গেছে ছোট সাইজের একটা ইমেজ কন্ট্রোল+টি প্রেস করে টেনে অনেক বড় করে ফেলে। এতে ইমেজ ফেটে যায়। আবার রিসাইজ করার সময় প্রোপোরশনালি রিসাইজ করেন না। ডানে-বামে, ওপরে-নিচে লম্বা করে ফেলেন। শিফট চেপে ধরে রিসাইজ করলে যে প্রোপোরশন ঠিক থাকবে তা তারা ভুল করেন।

Guide ব্যবহার না করা:

অনেকেই গাইড ব্যবহার করেন না। কিন্তু গাইড ফটোশপের খুবই একটি হেল্পফুল ফিচার। কন্ট্রোল+আর প্রেস করলে ফটোশপ ক্যানভাসের বামে এবং ওপরে রুলার শো করবে। ড্রাগ করে ক্যানভাসে ছেড়ে দিলে গাইড শো করবে। এখন গাইড হাইড করতে চাইলে Ctrl+Semi-colon প্রেস করলেই হাইড হবে। আবার প্রেস করলে শো করবে। অথবা মেনুবার থকে- View তে ক্লিক করে Show- তার পর Guide এ ক্লিক করলে Show এবং Hide হবে। একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে- আপনি যখন গাইড শো করে কাজ কবেন, গাইড যেনো লক থাকে। আর নায় ভুল করে গাইড মুভ হয়ে যাবে। তাই লক করে কাজ করবেন। লক করতে Ctrl+Alt+Semi-colon প্রেস করুন।

Alignment Tools ব্যবহার না করা:

এ্যালাইনমেন্ট টুলসটা খুবই একটি দরকারি। ভালোভাবে এই টুলসের ব্যবহার আপনার কাজের গতি বাড়িয়ে দিবে। এ্যালাইনমেন্ট টুলস নিয়ে নতুন একটি ভিডিও দিবো।

Opacity and Fill এর পার্থক্য না বুঝা:

নতুন অনেক ডিজাইনারই Opacity and Fill এর পার্থক্য জানেন না। অপাসিটি হচ্ছে- আপনি যখন এর ভ্যালু কমাবেন, তখন অবজেক্ট ট্রান্সপারেন্ট হবে এবং ভ্যালু ০% করেদিলে অবজেক্টটি শো করবে না, হাইড হয়ে যাবে। আর ফিল এর ক্ষেত্রেও সাধারনত সেইম মনে হচ্ছে। তবে পার্থক্য কোথায়? পার্থক্য হচ্ছে- যখন কোনো অবজেক্টে আপনি লেয়ার ইফেক্ট ইউজ করবেন, তখন যদি আপনি ফিল অপশন ০% করে দেন তাহলে অবজেক্ট হাইড হয়ে যাবে, কিন্তু যে লেয়ার ইফেক্ট আপনি ইউজ করেছেন তাতে কোনে ইফেক্ট পরবে না। মানে লেয়ার ইফেক্ট হাইড হবে না।

অনেকেই যানে না Photoshop দিয়েও Vector ডিজাইন করা যায়:

ভেক্টর ডিজাইন করার জন্য ইলাস্ট্রেটর বেষ্ট। কিন্তু ফটোশপ দিয়েও ভেক্টর ডিজাইন করা যায়। দেখুন ফটোশপ দিয়ে যদি শেইপ ক্রিয়েপ করি, এইগুলো ইচ্ছামতো স্কেল করতে পারবেন। কোয়ালিটি নষ্ট হবে না।

সুন্দর অর্গানাইজ ভাবে কাজ করতে কি কি বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে?

  1. কিছু সময় পর পর ফাইল সেইভ করুন। যাস্ট কিবোর্ড থেকে Ctrl+S থেকে প্রেস কুরন।
  2. সব সময় লেয়ারগুলো রিনেইম করে রাখবেন।
  3. যে কাজগুলো করবেন রো/বা সেকশন অনুযায় Group করে রাখবেন।
  4. সব সময় মুভ টুল সিলেক্ট করে রাখবেন। ধরুন কোন একটি টুল নিয়ে কাজ করছেন। সে টুলের কাজ হলেই মুভ টুল সিলেক্ট করে রাখুন। কিবোর্ড থেকে ভি প্রেস করলেই মুভ টুল সিলেক্ট হবে।
  5. লেয়ারগুলো টপ থেকে বটম সাজিয়ে রাখুন।
  6. বড় করে দেখার জন্য জুম টুল ব্যবহার করুন।
  7. সব সময় ১০০% জুম লেবেলে কাজ করুন। কিবোর্ড থেকে Ctrl+1 প্রেস কুরন।
  8. লেয়ার এবং Group গুলো সংকুচিত করে রাখুন।
  9. আজ এই পর্যন্তই।
  10. আশা করি আজকের টিউটোরিয়ালটি আপনাদের ভালো লেগেছে।
  11. বন্ধুদের সাথে ভিডিওটি শেয়ার করুন এবং কমেন্টসে আপনার মূল্যবান মতামত দিন।

আজ এই পর্যন্তই।
আশা করি আজকের টিউটোরিয়ালটি আপনাদের ভালো লেগেছে। বন্ধুদের সাথে ভিডিওটি শেয়ার করুন এবং কমেন্টসে আপনার মূল্যবান মতামত দিন।

ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম।

Leave a Comment